দৈনিক আজিজ:'বিশ্ব সংবাদ পড়ছি 'রমেশ পাইন':
রায় গ্রহণযোগ্য নয়,কাল দেশজুড়ে বিক্ষোভ : বিএনপি
মানবতাবিরোধী অপরাধের অভিযোগে ট্রাইব্যুনালে সালাহউদ্দিন কাদের চৌধুরীর বিরুদ্ধে দেয়া মৃত্যুদণ্ডাদেশের রায় প্রত্যাখ্যান করেছে বিএনপি।
বিএনপি বলেছে, এই রায়ে সালাহউদ্দিন কাদের চৌধুরী সুবিচার পাননি, আমরা এ রায়ে বিস্মিত। এটা রাজনৈতিক প্রতিপক্ষকে নির্মূল করার হীন চক্রান্ত ও ষড়যন্ত্র। রাজনৈতিক প্রতিপক্ষকে নির্মূল করা এবং সুপরিকল্পিতভাবে সব সরকারি প্রতিষ্ঠানকে ধ্বংসে সরকারি অপচেষ্টার প্রতিবাদে কাল বৃহস্পতিবার সারাদেশে বিক্ষোভ কর্মসূচি পালন করবে বিএনপি। এর অংশ হিসেবে কেন্দ্রিয়ভাবে বিকাল ৩টায় রাজধানীর সোহরওয়ার্দী উদ্যানে বিক্ষোভ কর্মসূচির আয়োজন করা হবে।
আজ বুধবার বিকালে নয়া পল্টনে দলীয় কার্যালয়ে দলের সিনিয়র নেতাদের এক সাংবাদিক সম্মেলনে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর এ কর্মসূচি ঘোষণা করেন।
এসময় উপস্থিত ছিলেন বিএনপি স্থায়ী কমিটির সদস্য ব্যারিস্টার মওদুদ আহমদ, এমকে আনোয়ার, ব্যারিস্টার রফিকুল ইসলাম মিয়া, চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা অ্যাডভোকেট জয়নাল আবেদীন, যুগ্ম-মহাসচিব অ্যাডভোকেট রুহুল কবির রিজভী আহমেদ, সাংগঠনিক সম্পাদক ফজলুল হক মিলন, সহ-আইন বিষয়ক সম্পাদক নিতাই রায় চৌধুরী প্রমুখ।
মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেন, আমরা বিস্মিত। এই ট্রাইব্যুনাল গঠন ও বিচার প্রক্রিয়া নিয়ে দেশে ও বিদেশে প্রশ্ন দেখা দিয়েছে। বিএনপি সব সময়ে বলে আসছে মানবতাবিরোধী অপরাধের বিচার হতে হবে স্বচ্ছ ও আন্তর্জাতিক মানের। রাজনৈতিক প্রতিপক্ষকে নিমূর্ল করতে তাদের বিচারের মুখোমুখি করা হচ্ছে। স্কাইপে কেলেঙ্কারি ও রায় ফাঁস হওয়াতে এই রায় জনগণের কাছে গ্রহণযোগ্যতা হারিয়েছে। ফাঁস হয়ে যাওয়ার পর এভাবে রায় দেওয়ার ঘটনা বিশ্বে নজিরবিহীন। রায় ফাঁসের ঘটনা স্বয়ং আইনমন্ত্রী নিজে স্বীকার করে তা তদন্তের কথা বলেছেন আর ট্রাইব্যুনালের রেজিস্টার শাহবাগ থানায় সাধারণ ডায়েরী করেছে।
ফখরুল বলেন, সালাহউদ্দিন কাদের চৌধুরীর পক্ষে দুইজন বিশিষ্ট ব্যক্তি স্বাক্ষ্য দিতে চাইলেও, পারেনি। একজন সুপ্রীম কোর্টের বিচারপতি তার পক্ষে সাক্ষ্য দেয়ার জন্য প্রধান বিচারপতির কাছে লিখিত অনুমতি চাইলেও তিনি সাক্ষ্য দিতে পারেননি। এছাড়া একজন সাক্ষী হলফ করে বলেছেন, ১৯৭১ সালের ২৯ মার্চ সালাহউদ্দিন চৌধুরী দেশ ত্যাগ করে পাকিস্তানে যান এবং সে বছর ৩১ অক্টোবর পর্যন্ত লন্ডনে ছিলেন। আর যে নয়টি অভিযোগে তাকে মৃত্যুদণ্ড দেয়া হয়েছে তা ১৩ এপ্রিল থেকে ২২ জুলাইর মধ্যে সংঘঠিত হয়/
কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন